ছবিঃ শিশুদের এলার্জি প্রতিরোধের কিছু টিপস.
2023-08-14 12:49:53
শিশুদের এলার্জি প্রতিরোধের কিছু টিপস
আপনার সন্তান পোষা বেড়াল কিংবা কুকুরকে আদর করার পর, কিংবা বাগান থেকে খেলে ফেরার পর, শিশুর হাঁচি কিংবা তার শরীরে ফুসকুড়ি বেরোনো লক্ষ্য করেছেন নিশ্চই। এগুলি এলার্জির লক্ষণ যা আপনার শিশুর ত্বকে বা তার শ্বসনতন্ত্র-তে দেখা দিয়েছে।
কী থেকে এলার্জি হয়?
- ধুলো
- পরাগ
- পোষ্যের রোম
- বিশেষ খাদ্য বা ওষুধ
- পোকার কামড়
আমার শিশুর মধ্যে কেন এলার্জির লক্ষণ ফুটে উঠছে?এলার্জেন চারদিকেই ছড়িয়ে আছে, কিন্তু সব শিশুরই সে সব থেকে এলার্জি হয় না। কোনো শিশুর রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা যদি এলার্জেনের প্রতি সঠিক ভাবে কার্যকরী না হয় তবেই শিশুটির এলার্জি হতে পারে, নতুবা এলার্জেনটি তার পক্ষে অনপকারী। ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা হিস্টামিন উৎপন্ন করে যখন শরীর এলার্জেনের সংস্পর্শে আসে এবং তার ফলেই এলার্জির লক্ষণ ফুটে ওঠে।
বিভিন্ন রকমের এলার্জি হতে পারে:
- এলার্জিক রাইনাইটিস, হাঁচি, জ্বর, কাশি, চোখে অস্বস্তি
- কানে সংক্রমণ
- উট্রিক্যারিয়াল রাসেস (প্রধানত খাবার থেকে হওয়া এলার্জি, যেমন চাইনিজ খাবার খাওয়ার পর ফুসকুড়ি)
- এলার্জিক ব্রংকাইটিস
- পেট খারাপ
এলার্জি প্রতিরোধের কিছু টিপ্স:
- বাড়ি পরিষ্কার রেখে ধুলো, পোকা মাকড় তাড়াতে হবে ।
- যদি আপনার শিশু এলার্জিক হয়, সে ক্ষেত্রে বাড়িতে পোষ্য কিংবা ঘরে কোনো গাছপালা রাখবেন না ।
- এলার্জেন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন । বাতাসে যখন পরাগ দেখা দেয়, সেই ঋতুতে, ঝড় বাতাসের সময়
- বাড়িতে থাকুন, দরজা, জানালা বন্ধ রাখতে হবে ।
- কাউকে শিশুর সামনে ধূমপান করতে দেবেন না, বিশেষ করে বাড়িতে কিংবা গাড়ির ভেতর।
- বাইরে থেকে কিংবা খেলার মাঠ থেকে শিশু বাড়ি ফেরা মাত্র তাকে হাত, পা, মুখ ধুইয়ে নিতে বলুন।
- রাতেও শিশুকে গোসল করতে বলুন। এর ফলে শরীরে কোনো এলার্জেন থেকে থাকলে তা সহজেই ধুয়ে যাবে।
- তাদের নির্দেশ দিন যাতে কোন ভাবেই নোংরা হাতে কখনই চোখ না ঘষে ।
- ঠাণ্ডা লাগলে কিংবা নাক বন্ধ হয়ে গেলে স্টীম নিন কিংবা গরম পানিতে গোসল করুন।
- ত্বকের হালকা ফুসকুড়ির ক্ষেত্রে এলোভেরা জেল কিংবা পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন ।
- গলা ব্যথা দূর করতে কিংবা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে দুধে এক চিমটি হলুদ দিয়ে পান করতে পারেন ।
পার্শপ্রতিক্রিয়া হীন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার সাহায্যে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে। যাতে তারা এলার্জেন এর কবলে না পড়ে, স্কুলে অনুপস্থিত না থাকে বা অসুখে ভুগে ছুটির দিন নষ্ট না হয় তার। হোমিওপ্যাথি আপনার সন্তানের জীবনের মান বদলে দিতে পারে, তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করার মাধ্যমে।